Site icon Friendly Status

মারিগোল্ড বা গাদাফুল বাড়ীতে টবে কিভাবে যত্ন করবেন | How to grow marigold

marigold-friendlystatus

শীত কালিন যতফুল আছে তার মধ্যে সবথেকে জনপ্রিয় ফুল হল গাঁদাফুল। আমাদের বাংলায় ঠিক দুর্গাপুজোর পরে পরে শীতে আমেজ শুরু হয়ে যায় আর এই সময়ই বিয়েবাড়ি থাকে প্রচুর। বিয়েবাড়ী বলুন আর অন্য যেকোন অনুষ্ঠানে বলুন এই ফুলের জুড়ি মেলা দায়। ভারতীয় প্রাচিন আয়ুর্বেদিক চিকিৎসায় গাঁদা পাতার রসও খুব উপকারী, কেটে গিয়ে রক্ত পড়া থেকে খুব সহজেই মুক্তি পাওয়ার জন্য ব্যাবহার করা হয়। এখোন গ্রামের দিকে এই ব্যাবহার অতুলনীয়। তাই Marigold Farming খুব সুন্দর ও সহজ ভাবেই শিখুন।

গাঁদা ফুলের জাত বা বিভিন্ন গাঁদা ফুলের নামঃ

জাত বা পদ বললে আমাদের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গে ৪ ধরনের গাঁদা ফুল চাষ করা হয়।

There are 4 types of marigold found in our West Bengal or 4 types of marigold farming is occur in west Bengal.

যেগুলি হলঃ চাইনিজ, আফ্রিকান, রাজগাঁদা ও ফরাসি গাঁদা। আর রং ভেদে গাঁদা হলুদ, লাল, খয়েরি, লাল-হলুদের মিশ্রন।

আফ্রিকান গাঁদা ফুলের গাছ ৩০ থেকে ১০০ সে.মি. হয় এবং সোজা ও লম্বা হয়। এই জাতের ফুলগুলি কমলা-হলুদ-গাঢ় খয়েরী ছিটা যুক্ত হয়।

ফরাসি গাঁদা ছোট খাটো ঝোপলা জাতীয় গাছ হয়। এদের height সাধারনত ১৫-৩০ সে.মি. হয়। লাল রঙ্গের ফুল হয়, আকারে ফুল গুলি ছোট হয়। কিন্তু গাছে প্রচুর ফুল ধরে।

চারা তৈরি করা হয় কিভাবেঃ

প্রচলিত দুটি পদ্ধতিতেই চারা তৈরী করা যায়, শাখা কলম ও বীজ থেকে। নভেম্বর মাসে বীজ বপন করে চারা তৈরি করা হয়। সারাবছর চাষযোগ্য ফুল হলেও এই ফুল শীতকালে বেশী ফলল দেয়। এছাড়া শাখা কলম থেকেও চারা বানানো যায়। সেইক্ষেত্রে গাঁদা গাছের শাঁখা গুলি ৮-১০ সে.মি. কাটতে হবে এবং মাটিতে বপন করতে হবে। এই প্রক্রিয়া মার্চ মাসেই করতে হবে। নিয়মিত জল দিয়ে মাটি ভিজিয়ে রাখতে হবে মোটামুটি ২০-২৫ দিনের মাথায় পাতা গজিয়ে যায়।

জমি নির্বাচন ও মাটি তৈরীঃ

Before we start marigold farming we need to make our soil fast. For that we can use উর্বর দোআশ মাটি গাঁদা ফুল চাষের জন্য উপযোগি। যদি বাগানে এই গাছ লাগান তালে মাটি আগে থেকে ঝুরঝুরে বানিয়ে তৈরি করে নিতে হবে। আর যদি টবে এই গাছ লাগানানোর পরিকল্পনা থাকে তাহলে ৩ ভাগ দো-আশ মাটির সাথে ১ ভাগ গোবর সার মিশিয়ে মাটি তৈরি করতে হবে।

সার প্রয়োগঃ

Marigold বা গাঁদা ফুলের জন্য আপনি যে যে সার গুলো ব্যাবহার করতে পারেন সেগুলি নিচী লিখে দেওয়া হল। পরিমান আপনার জমির পরিমাণের এক শতক হিসাবে আপনি গোবর সার ৪০ কেজি, ইউরিয়া ২ কেজি, টিএসপি ৩ কেজি এবং এমওপি ২ কেজি সার দিতে পারেন। এই সার গুলি সব মাটির সাথে ভালো করে মিশিয়ে দিতে হবে।

চারা রোপণঃ

বীজ থেকে অথবা শাঁখা থেকে তৈরি একমাস বয়সের চারা রোপন করতে হয়। ডিসেম্বর মাসে চারা রোপন করতে হয়। সারি থেকে সারির দূরত্ব ৪০-৫০ সেমি এবং চারা থেকে চারার দূরত্ব ৩০-৪০ সেমি হওইয়া উচিত। চারা উৎপাদন না করে সরাসরি বীজ থেকেও গাঁদা চাষ করা যায়। সেক্ষেত্রে প্রতি শতকে ৫-৬ গ্রাম বীজ জমিতে পুততে হবে।

কীভাবে যত্ন করবেন গাঁদা গাছ কেঃ

গাঁদা ফুলে রোগ বালাই তেমন হয়না। তবে জাব পোকা আক্রমণ করলে ২ মিলি ম্যালাথিয়ন ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। গাছ বড় হলে খুটির সাথে বেধে দিলে গাছ  সোজা থাকে। গাছে ফুলের সংখ্যা বৃদ্ধি করার জন্য ফুল আসার একমাস আগে গাছের ডগা ভেঙে দিতে হবে। চারা রোপণের ১৫ দিন পর প্রতি শতাংশে ৫০ গ্রাম ইউরিয়া উপরি প্রয়োগ করা যেতে পারে। চারা মারা গেলে সেখানে চারা রোপন করা উচিত। চারা ঘন হলেও পাতলা করতে হবে।

To know more about Agriculture | চাষের কাজ বা ফুল ও ফলের গাছের বিষয়ে জানতে আরো পড়ুন, পড়ার জন্য ক্লিক করুন নিচে দেওয়া লিংকে।

Exit mobile version