Find Yourself in Future | অতীতের তুমি নয় – ভবিষ্যতের আমি

We human being having our brain to store our memories. But sometime those memories gives us pain a lot. Those pains are affected in our present life and make a horrible experience. For this, I write the article. Please make sure that you are not leave in past. To make your future smooth live in present. Find yourself in future is not a simple article you can take this as a oath for future, So please read carefully and make it habit.

Find Yourself in Future | অতীতের জন্য আফশােষ ও ভবিষ্যতের জন্য দুশ্চিন্তা করবে না

কিছু ব্যক্তি উপরােক্ত দুই ব্যপারে প্রায় সারাটা জীবনই অতিবাহিত করেন। হতে পারে, যা তােমার করা উচিত ছিলাে, তা তুমি করতে পারাে নি। সেজন্য বর্তমান সময়কে নষ্ট করা কোনাে বুদ্ধিমানের পরিচয় নয়। সেইভাবে ভবিষ্যতের জন্যে দুশ্চিন্তা করে বর্তমান সময় নষ্ট করা অবশ্যই নির্বুদ্ধিতার কাজ। এই দুই উপায়ে আমরা ভবিষ্যতের সম্ভাবনাকে বিনাশ করছি।

find yourself in alone

মনে রাখবে, বর্তমানই জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। কেউ তােমার অতীত নিয়ে মাথা ঘামাবে না বা তােমায় কাজ পেতে বা পরীক্ষায় বসতে সাহায্য করবে না যেহেতু অতীতে তােমার কতকগুলি সমস্যা ছিলাে। তারা তােমার বর্তমান বিষয়ে আগ্রহী। সুতরাং বর্তমান সম্বন্ধে সচেতন হও। বর্তমানকে নিজের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে তুমি যে শুধু একটি সুন্দর ভবিষ্যতের ভিত গড়তে পারবে তাই নয়, তার সাথে অতীতের কর্মদশার পাশবন্ধন এর প্রভাবে অনেকখানি হ্রাস পাবে।

অতীত থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত যাতে করে ভুলভ্রান্তির পুনরাবৃত্তি না হয়। তাছাড়া অতীতের কোনাে মূল্য নেই। একটি দেখা পুরনাে ছায়াছবির মতই একে ভুলে যাও। জীবনে উন্নতির জন্য সুযােগের কোনাে অভাব নেই। যদি কিছু সুযােগ অতীতে তুমি হারিয়েও থাক, তাহলেও তুমি আরও সুযােগ পাবে আগামীদিনে । সবরকম সুযােগ সবদাই আমাদের সামনেই আছে। শুধু আমাদের দরকার। নিজের আগ্রহ ও ইচ্ছাশক্তি বাড়িয়ে সুযােগকে গ্রহণ করা।

তুমিই তােমার ভাগ্যের নির্ধারক

দূর্ভাগ্যের জন্য যেসব ব্যক্তি নিজের ভাগ্যকে দোষারােপ করে জেনাে, “তােমার অবস্থার জন্যে তুমিই শতকরা একশভাগ দায়ী। তােমার ভাগ্য তুমিই নিজের হাতে গড়েছ”। তােমার অতীতই তােমার বর্তমানের এমন অবস্থাটি করছে। তােমার বর্তমানও তােমার ভবিষ্যত নির্ণয় করবে। অতীতের ফল আজ তুমি ভােগ করছ। যদি আজ তুমি সাবধান হও, তাহলে ভবিষ্যতও তােমার ভাল হবে। সুতরাং ভাগ্যকে দোষারােপ না করে বাস্তবের সামনে সাহসিকতার সাথে মুখােমুখি হও।

নিজ দায়িত্ব মেনে নিয়ে যদি উপলদ্ধি কর যে তােমার চিন্তাভাবনা, বাক্য ও কর্ম তােমার ভবিষ্যতকে আকার দেওয়ার আধার, তাহলে জীবনের প্রতি তােমার দৃষ্টিভঙ্গির একটি বড় ধরণের আমূল পরিবর্তন আসবে। নিজ শক্তিবলে বর্তমান অবস্থারও তুমি সংশােধন বা বদলাতে পার। তােমাকে এর জন্য অদৃষ্টের দাস হতে হবে না। ইতিবাচক চিন্তার প্রয়ােগে সিদ্ধান্ত, ইচ্ছাশক্তির যােগ আর সত্যিকারের কায়িক প্রচেষ্টার দ্বারা বিভিন্ন বাধা-বিপত্তির বিরুদ্ধে ইচ্ছাশক্তি প্রয়ােগ কর তাহলে তুমি দূর্ভাগ্যকে পরাজিত করতে পারবে। উপরন্তু যদি তুমি ঈশ্বরের পদতলে নিজেকে সমর্পণ কর, তাহলে অদৃষ্টের চক্র থেকে তুমি সহজেই রেহাই পাবে কারণ প্রতিপদে পরমেশ্বর তােমায় সহায়তা করবেন। 

set-your-destiny

তাহলে অনন্তকাল অদৃষ্টের চক্রে পাক খেতেই হবে – এমনটি নয়। এই চক্রব্যুহ থেকে বার হবার শক্তি তােমার। আছে আর অদৃষ্টচক্র দিয়ে নিয়ন্ত্রিত হওয়ার বদলে তুমিই একে নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে। যতই তােমার চেতনার স্তরের উন্নতি ঘটবে ততই অদৃষ্টের নাগপাশ থেকে তুমি মুক্ত হবে। সজন্যেই আধ্যাত্বের আলােয় আলােকিত মহাপুরুষগণ অদৃষ্টকে মােটেই ভয় পান না। যে স্তরে তাঁরা আছেন সেখানে কোনােকিছুই তাদের নাড়া দিতে বা সরাতে পারে না পরন্তু বিপরীত ঘটনাই ঘটে থাকে। অদৃষ্টের লাগাম তারাই নিয়ন্ত্রণ করে পরিবর্তন সাধন করতে পারেন। অদৃষ্টকে তারা ভূত্ত্যের মত চালনা করেন, আর আমাদের হল বিপরীত অবস্থা।এর আরেকটি দিক আছে।

চেতনার উন্নততর স্তরে একবার যেতে পারলে ও মনকে বশ করতে পারলে, দূর্ভাগ্য তােমায় ছুঁতে পারবেনা। তুমি শান্ত ও ধীর থাকবে আর। দূর্বলচিত্ত মানুষের মত ভেঙ্গে পড়বেনা। সঙ্কটময় জীবনের প্রতি তােমার প্রতিক্রিয়া ও দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ পাল্টে যাবে। তুমি এসবের প্রতি তখন উদাসীন থাকবে ও প্রশ্ন করবে না। তুমি জানবে জাগতিক কিছু নিয়মে এরা যেমন এসেছে তেমনি সেই নিয়মে চলেও যাবে। সুতরাং এমতাবস্থায় নারব দর্শকের ভূমিকা পালন করলে তুমি মানসিক ভারসাম্য বজায় রাখতে পারবে। যতকিছু মনের মধ্যেই বাসা বাঁধে। এবার মনকে বশ মানাতে পারলে বা নিয়ন্ত্রণ করলে এসব অশুভশক্তি তােমার পদতলে সমর্পণ করবে।

এই ধরনেই লেখা অবশ্যই আপনি আমনার বন্ধুদের মধ্যে শেয়ার করবেন ও আরো লেখা পড়তে আমাদের ব্লগ ফলো করবেন।

Blog Topic: Find Yourself in Future

More Topics:

মনকে নিজের কাছে রাখা

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *