Low Self confidence makes us weak – Get rid from it – Bengali

Low Self Confidence is very complicated issue in our personality. Any time we can affected by this mental state. Its very easy to recover from this mind state. We all need to do some practice. Low self confidence make you poor and week.

We are trying to boost your self confident but you need to do some simple mind practice, those are listed bellow. This document is written in Bengali language for any other language conversion please use google translator.

We cannot live normally in difficult situations. Fear does not leave us. At this time we should be alone and understand ourselves better. You have to come out from low self confidence without wasting time.

Low self Confidence থেকে বেরিয়ে আসার জন্য অনেক কিছুই করা যায় তার মধ্য থেকে আমরা ৬ টি বিশেষ পয়েন্ট কে এখানে তুলে ধরলাম, পরবর্তি কনটেন্ট গুলিতে এই বিষয়ে আরো আলোচলা হবে এবং তার জন্য অবশ্যই আমাদের এই ব্লগ বা ওয়েবসাইট কে ফলো করুন।

  1. কঠিন সমস্যাকে আপন কল্যাণের জন্য স্বাগত জানাও
  2. নীরবতা, একাকীত্ব ও আত্মান্বেষণ
  3. প্রতি ঘটনায় কার্য্যকারনের সম্পর্ক, দৈবাৎ বা আচমকা কোনাে ঘটনা ঘটে না
  4. ভয়কে জয় করাে
  5. হীনমন্যতায় ভুগবে না, অন্যে যা করতে পারে তুমিও তা করতে পারাে
  6. সময় নষ্ট কোরাে না

কঠিন সমস্যাকে আপন কল্যাণের জন্য স্বাগত জানাও

reality-time-true

একটি অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে, ইশ্বর যা কিছু সমস্যা, বেদনা, অস্বস্তি আমাদের দেয় তা আমাদের ভয় দেখানাের জন্য নয়। সব দুর্বলতাকে কাটিয়ে নির্ভয়ে জীবনে এগিয়ে যেতে আমাদের এই সময় প্রয়ােজন বেদনার অনুভব, সমস্যার অনুভব। এটাও জীবনের অগ্নিপরীক্ষা। দুঃখকষ্টে আঘাত না পেয়ে, কিছুক্ষণের জন্য থমকে গিয়ে আত্মসমীক্ষা ও আত্মবিশ্লেষণের দ্বারা শিক্ষালাভ কর ।

প্রত্যেকটি সমস্যার থেকে আমরা কিছু শিক্ষালাভ করি ও ব্যবহারিক জীবনে এর অভিজ্ঞতা আমরা কাজে লাগাতে পারি । এটি একটি প্রকৃতির অভিনব নিয়ম। প্রতিটি প্রতিকূল পরিস্থিতিতে ও সমস্যায় জানতে চাও তােমার জন্য কী বার্তা এরা বয়ে নিয়ে এল আর কীভাবে একে কাজে লাগাতে পার। প্রতিটি সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাওয়ার পর তােমার মস্তিষ্ক আরও বিজ্ঞ ও পরিণত হবে। 

বিপদে পড়লে তাতে ইন্ধন জুগিয়ে নিজেকে ও অপরকে দোষী সাব্যস্ত করলে আবার নুতন সমস্যার কার্যকারণে অবস্থার অবনতি হবে। মনে রাখাে যা কিছু ঘটে তা আমাদের কল্যাণের জন্য। আপাতদৃষ্টিতে কঠিন ও প্রতিকুল পরিস্থিতিতে অন্তর্নিহিত আছে পরমেশ্বরের অপার করুণা । সঠিক ভাবনায় এই সত্য প্রতিফলিত হয়। সেজন্য জ্ঞানীসজ্জন সর্বপ্রকার সমস্যাকেও ঈশ্বরপ্রদত্ত প্রসাদজ্ঞানে তাঁকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। কোনরকম প্রশ্ন না করে ঈশ্বরের সকল সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলেন। তােমার উপযুক্ত জায়গায় ঈশ্বর তােমায় জগতে ঠাই দিয়েছেন। কর্মের দশা কাটানাের জন্য ও কর্মের ফল ভােগ করার জন্য। একবার কর্মের দশা তুমি ঠিকমতাে কাটিয়ে উঠলে, আপনা-আপনি আরও উচ্চস্তরে তােমার স্থান হবে ।

নীরবতা, একাকীত্ব ও আত্মান্বেষণ

দৈনিক কিছু সময় একাকী ও নীরব থাকো ও সেই সময়টা নিজের জন্য ব্যয় কর। আত্মান্বেষণ কর। আবিষ্কার কর কোন কোন জায়গায় উন্নতি করতে হবে ও শক্তি সঞ্চার করতে হবে, আর কোথায়ই বা তুমি পিছিয়ে আছ। এই আত্মসমীক্ষাই তােমাকে উন্নতির পথনির্দেশ করবে ।

নীরবতার মাধ্যমে তুমি শক্তি সঞ্চয় করবে। সর্বদা কম কথা বল। মৃদু ও মিষ্ট স্বরে সরাসরি বিষয় সম্বন্ধে আলােচনা কর। কখনও উচ্চস্বরে বেশী কথা বলবে না। অলস আড্ডা, অনাবশ্যক যুক্তিতর্ক ও আলােচনা এড়িয়ে চলাে। কোনাে উদ্দেশ্যকে লক্ষ্য রেখে আলােচনা করাে। উদ্দেশ্য-বিহীন আলােচনা এড়িয়ে চলাে। এতে শারীরিক ও মানসিক বল নষ্ট হয়।

প্রতি ঘটনায় কার্য্যকারনের সম্পর্ক, দৈবাৎ বা আচমকা কোনাে ঘটনা ঘটে না

সব ঘটনার নেপথ্যে কাৰ্য্যকারণ সম্পর্ক আছে। দৈব বা দুর্ঘটনা এর জন্য দায়ী নয়। সমগ্র চরাচর একটি বিশেষ শৃঙ্খলাকে মেনে চলে ও সবকিছুই কায্যকারণের নিয়ম মানে। প্রতিটি কাজের জন্য একটি কারণ দায়ী। অতীতের কৃতকর্মের ফসল এখন তুমি তুলছ, এখনকার ফলভােগ তােমার অতীতে করা কোনাে কাজের কারণ। যতক্ষণ না তুমি এটা উপলব্ধি করে ধীরে ধীরে শুধরাবে ও নতুন সঠিক কারণ নির্ণয় করবে, ততক্ষণ তুমি কখনও সুখী হবে না।

এই অভিজ্ঞতার আলােয় বিভিন্ন সমস্যার মুখােমুখী হতে গেলে মানসিক ধ্যানধারনা পাল্টাও। মনে কোরাে না হঠাৎ কোনাে অজানা বােঝা তােমার উপর এসে পড়েছে। প্রত্যেক বাধাকে উন্নতির পথে একটি পাথেয় বলে মনে করবে । প্রত্যেক সাফল্য-ব্যর্থতায়, লাভ-লােকসানে, প্রশংসানিন্দায় নির্বিকার থাকলে নতুন করে কর্মের দাসত্ব ও বন্ধন থেকে মুক্ত থাকবে। ঘটনার চেয়েও ঘটনার প্রতি তােমার ধ্যানধারণা ও প্রতিক্রিয়া বেশী গুরুত্বপুর্ণ। সেজন্যেই বলা হয়েছে জগৎভালাে নয়, মন্দও নয়। এটা নির্ভর করে জগৎকে আমরা কী চোখে দেখি ও বুঝি ।

ভয়কে জয় করাে

ভয় আমাদের মানসিক শক্তিক্ষয় করে ও অগ্রগতির পথে অন্তরায় হয়। আকর্ষণের নিয়ম অনুসারে, যখনই আমরা ভয় বা সন্দেহের শিকার হই, তখনই ভয় আর সন্দেহের কারণগুলিকে আমরা আকর্ষণ করে দুষ্টচক্রের আবর্তনের জালে জড়িয়ে পড়ি। আমাদের মধ্যে কিছু লােক কখন কী হয় এই ভয়ে সর্বদা ভীত থাকে। ফলে তারা সর্বদা দুশ্চিন্তা আর উদ্বেগের শিকার হয়ে দিন কাটায়।

মনে রাখবে জগতে ভয় পাওয়ার মত সত্যই কিছু নেই। এই দুনিয়ায় কোনাে কিছুই তােমায় ক্ষতি করার জন্য করা হয়নি। সর্বোত্তম উপায় হচ্ছে ভয়কে জয় করে ভয়ের বস্তুর মুখােমুখি হয়ে মন থেকে সব ভয় ঝেড়ে ফেলা এইভেবে যে, কোনােকিছুই তােমার কোনাে ক্ষতি করতে পারবনা।  নিয়ম এই যে যতই তুমি ভয় পাবে ততই ভয় তােমায় চেপে ধরবে। অপরদিকে ভয় না পেলে ভয় তােমার থেকে দরে থাকবে। সত্যি বলতে কী বাস্তব ভয়ের ঘটনা আমাদের কাল্পনিক ভয়ের চেয়ে অনেক কম।

তথাকথিত প্রেতাত্মার ভয়, তন্ত্রমন্ত্র আর বিভিন্ন অতীন্দ্রিয় প্রভাব সেই সব মানুষের উপর প্রভাব বিস্তার করে, যারা মানসিক ভাবে দুর্বল বা আতঙ্কে ভােগে বা ঐসব অলৌকিক ঘটনায় বিশ্বাস করে। জ্ঞান সঞ্চয় দ্বারা মানসিক শক্তি সঞ্চয় করাে আর জানাে যে কোনাে কিছুই দৈববশে ঘটে না। প্রতিটি ঘটনার প্রেক্ষাপটে একটি কারণ আছে। সুতরাং হঠাৎ কিছু ঘটার আশংকায় ভয় পাও কেন? ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সাহস করে জীবন সংগ্রামকে দ্বন্দে আহ্বান কর, ঈশ্বরে দৃঢ় বিশ্বাস কর, উনিই তােমায় রক্ষা করবেন।

হীনমন্যতায় ভুগবে না, অন্যে যা করতে পারে তুমিও তা করতে পারাে

অনেকে হীনমন্যতার শিকার হয়ে ভাবে যে অন্যে যা পারে আমি অক্ষম বলে তা পারি না। নিজেদের যােগ্যতায় ও পারদর্শিতায় তাদের আস্থা নেই। মনে রাখবে সবাই সমানভাবে সক্ষম। ধ্যানযােগে ও আত্মসচেতনতার মাধ্যমে যদি আমরা মনের কার্যকারিতা আবিষ্কার করি, দেখব কেউ আমাদের থেকে বেশী বুদ্ধিমান বা খুব নির্বোধ নয়। কারণ সকল আত্মা একই প্রকার; কারণ একই উৎস থেকে সকল আত্মার উৎপত্তি । এ বিষয়ে কোনাে মতভেদ নাই। সুতরাং কখনও নিজেকে অন্যের সাথে তুলনা করবে না বা নিজেকে অন্যের তুলনায় নিকৃষ্ট বা উৎকৃষ্ট ভাববে না।

সুতরাং মনে পূর্ণ আস্থা রাখাে – অন্যে যা পারে তুমিও তাই পারাে। এটা শুধু ঘুমন্ত মনকে জাগানাে নয়। বস্তুত এমন কোনাে সমস্যা নেই যা তুমি পূর্ণ বিকশিত মনের সহায়তায় সমাধান করতে পারবে না। আর যদি এই পূর্ণ বিকশিত মনকে সদাসর্বদা পরমেশ্বরের সাথে একই সুরে বাঁধি বা সংযােগ করি, তাহলে তার অসীম ক্ষমতার অংশের আমরাও ভাগীদার হতে পারি।

সময় নষ্ট কোরাে না

দেখা যায় যদিও আমরা সদাব্যস্ত কিন্তু তাতে কোনাে লাভ হয় না। সংক্ষেপে, আমরা শক্তি ক্ষয় করছি। মনুষ্যজীবন স্বল্পকালের কিন্তু খুব মূল্যবান। সময় দ্রুত বয়ে যায়। প্রতিটি পলে আমরা মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাই। কোনাে পূর্বাভাষ ছাড়াই মৃত্যু আমাদের ছিনিয়ে নিয়ে যায় যে কোনাে মূহুর্তে। সেজন্যে এখানে কখনও সময় নষ্ট কোরােনা। এই কম সময়ে আমাদের অনেককিছু অর্জন করতে হবে। দেখাে যেন প্রতিটি সময় আমরা উন্নতি করি এবং পিছিয়ে না পড়ি। আজেবাজে চিন্তা, অলস আড্ডা বা অনর্থক ঘােরাঘুরিতে সময় নষ্ট কোরােনা। যে সময় বয়ে যায় তা চিরতরের জন্য হারিয়ে যায় আর কোনাে উপায়েই তাকে ফিরে পাওয়া যায় না। সময়কে অন্য বস্তুর মত জমিয়ে রাখা যায় না । অব্যবর্হিত সময় চিরতরে বিনষ্ট হয়। কথায় বলে, ধন অপচয় কর তমি নির্ধন হবে, কিন্তু সময় অপচয় করলে তুমি জীবনের একটি অংশ হারাবে। সুতরাং গঠনমূলক কাজে নিজেকে ব্যস্ত রাখাে।

যে কোনাে পেশা বা কাজকর্মেই তুমি থাকোনা কেন, সর্বদা সচেষ্ট হবে নুতন কারিগরি বা পদ্ধতির সাহায্যে সবচেয়ে কম সময় ও ব্যয়সংকোচ করে অধিক উৎপাদনের ফল লাভ করা । নিজেকে জিজ্ঞাসা কর, যতটা সময় ও সামর্থ্য কাজের জন্য। ব্যয় করছ, তা কি সত্যই কাৰ্য্যকরী? প্রয়ােজনাতিরিক্ত সময় ও সামর্থ্য কী তুমি ব্যয় করছ? তােমার প্রযােজিত সময় ও সামথ্য উৎপাদনের সাথে সমানুপাতিক হওয়া উচিত। চূড়ান্ত দক্ষতা, প্রচেষ্টা ও সামর্থ্য অর্জনের লক্ষ্যে সময়কে যথাযথ পরিচালনা করতে শেখাে। তােমার সহকর্মীবৃন্দ, সংস্থার কর্তা ও নবীন কর্মচারীদের সাথে ফলপ্রসু যােগাযােগ রাখতে মনােবিজ্ঞান অধ্যয়ন কর যাতে করে স্বল্প প্রচেষ্টায় তাদের সহযােগিতায় তুমি অভিষ্ট ফল লাভে কৃতি হও। কাজকে আগে পরিকল্পনামাফিক সাজাও। অগ্রাধিকারের একটি ফর্দ বানাও এবং অন্যান্যদের মত যেমন ইচ্ছা তেমন ভাবে কাজ শুরু না করে একটি কার্যকরী পদ্ধতিকে মেনে কাজে হাত দাও।

মনে রাখবে আমাদের প্রতিটি কর্ম, চিন্তা, বাক্যের জন্য পরমেশ্বরের কাছে জবাবদিহি করতে হবে এবং এর ফলাফল। মর্ত্যলােকের ভবিষ্যতে ও পরলােকে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে।

এই ধরনেই লেখা অবশ্যই আপনি আমনার বন্ধুদের মধ্যে শেয়ার করবেন ও আরো লেখা পড়তে আমাদের ব্লগ ফলো করবেন।

Blog Topic: Boost your low self confidence.

More Topics:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *