lakhi bhandar prakalpa – লক্ষীর ভান্ডার – কারা পাবেন কিভাবে পাবেন

পশ্চীমবঙ্গের বর্তমান গর্ভনর শ্রীযুক্ত জগদীপ ধনখার (Jagdeep Dhankhar) আনন্দের সাথে সরকার প্রস্তাবিত প্রকল্প “লক্ষীর ভান্ডার” এর আবেদন মঞ্জুর করায় এই প্রকল্পের আওতায় আসা পরিবার পিছু প্রত্যেক মহিলা সদস্য কে নিজের পায়ে দাড়ানোর জন্য সামান্য আয়ের পথ দেখাবে এই প্রকল্প। এই প্রকল্পটি গোটা পশ্চীমবঙ্গের জনসাধারনের, বিশেষ করে মহিলাদের কথা মাথায় রেখেই রূপায়িত করা হয়েছে। 

১> কারা এই lakhi bhandar prakalpa প্রকল্পের মধ্যে নাম নথিভুক্ত করাতে পারবেনঃ-

  • ক) গ্রামাঞ্চল ও শহরতলি-র যেকোন মহিলাই যাদের আগে থেকে “স্বাথ্যসাথী” প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করা আছে তার এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করাতে পারবেন।
  • খ) “লক্ষীর ভান্ডার” এই স্কিম মানে একটি পরিবার যারা “স্বাথ্যসাথী” এর অধীনে তালিকাভুক্ত তারাই এই স্কিমের যোগ্যতার মানদণ্ড অনুযায়ী যোগ্যও।
  • গ) “লক্ষীর ভান্ডার” lakhi bhandar prakalpa এই স্কিমে আপনার ইনকাম কে বাস্তবায়িত করার জন্য আর যা যা প্রয়োজনীয় নিয়মাবলীঃ-

১) আবেদনকারী মহিলা সদস্যকে অবশ্যই রাজ্যবাসী হতে হবে।

২) আবেদনকারীর বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।

৩) মহিলা সদস্য যদি রাজ্য সরকার বা কেদ্রীয় সরকারের চুক্তিবধ্য স্থায়ী কর্মচারী হন বা অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী হন তাহলে তারা তাদের নাম এই প্রকল্পে নথিভুক্ত করাতে পারবেন না। এছাড়া মহিলা সদস্য যদি যে কোন ভাবে পঞ্চায়েত, মিউনিসিপালিটি, করপোরেশন বা শিক্ষিকা ও স্কুল কলেজের নন টিচিং স্টাফ হইয়ে থাকেন তালে এই প্রকল্পে নথিভুক্ত করাতে পারবেন না। এছাড়া সরকারী সাহায্যে পরিচালিত সংগঠনের সদস্যরা এই প্রকল্পের আওতায় পরবেনা।

২> অর্থনৈতিক দিক থেকে কিভাবে আবেদনকারীরা সাহায্য পাবেনঃ-

  • ক) এই প্রকল্পের অনুদান রাশি সরাসরি বাড়ীর মহিলা সদস্যের আধার লিকং করা ব্যাঙ্কে জমা পরবে।
  • খ) অনুদান রাশি টাকার পরিমানে যেভাবে দেওয়া হবেঃ

১। সিডিউল কাস্ট ও সিডিউল ট্রাইব মহিলা সদস্য-রা প্রতিমাসে ১০০০/- টাকা করে ও

২।  সিডিউল কাস্ট ও সিডিউল ট্রাইব ব্যাতিত সকল মহিলা সদস্য-রা প্রতিমাসে ৫০০/- টাকা করে পাবে।

৩> আবেদন করার নিয়মাবলীঃ-

  • ক) সম্পুর্ন বিনামুল্যে আবেদন করা যাবে দুয়ারে সরকার এর ক্যাম্পে যা আপনার এরিয়ার অনুষ্ঠিত হবে।
  • খ) “স্বাথ্যসাথী” প্রকল্পের মানদন্ডে সকল মহিলা সদস্যগন এই প্রকল্পে স্ব-সাক্ষরিত ফর্মে নাম নথিভুক্ত করাতে পারবেন।
  • গ) ফর্মের সাথে অন্যান্য যা যা কাগজ প্রয়োজনীয় তার বিবরন নিচে দেওয়া হলঃ
    • স্বাথ্যসাথী কার্ড।
    • আধার কার্ড।
    • SC/ST কার্ড প্রয়োজন অনুযায়ী।

৪। ব্যাঙ্কের পাস বই এর প্রথম পৃষ্ঠা যেখানে আপনার Account number, address, IFS Code, MICR No ও আবেদনকারীর নাম লেখা আছে। ব্যাঙ্কের খাতা অবশ্যই আবেদনকারীর নিজের হতে হবে, জয়েন্ট খাতা হলে হবে না।

৫) কালার পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

৬) আবেদন কারী অবশ্যই তার ফর্মের সাথে দেবেনঃ

  • রেসিডেনশিয়াল প্রশংসাপত্র
  • স্ব ঘোষিত  আবেদন যাতে অবশ্যই লেখা থাকবে আপনি কোনভাবেই রাজ্য সরকার বা কেদ্রীয় সরকারের চুক্তিবধ্য স্থায়ী কর্মচারী নন বা অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী নন এছাড়াও আপনি কোনোভাবেই কোন পঞ্চায়েত, মিউনিসিপালিটি, করপোরেশন বা শিক্ষিকা ও স্কুল কলেজের নন টিচিং স্টাফ নন। এছাড়া সরকারী সাহায্যে পরিচালিত সংগঠনের সদস্য নন।

৭) যদি কোন মহিলা সদস্য প্রাথমিক ভাবে “স্বাথ্যসাথী” প্রকল্পে নথিভুক্ত না থাকেন তবে তাদের অস্থায়ীভাবে “লক্ষীর ভান্ডার” প্রকল্পে না নথিভুক্ত করা হবে। পরবর্তি সময়ে তাদের প্রথমে “স্বাথ্যসাথী” প্রকল্পের আওতায় এনে ধীরে ধীরে “লক্ষীর ভান্ডার” এর আওতায় আনা হবে।

এই নিয়ামাবলী ছাড়াও বেশ কয়েকটি পয়েন্ট আছে যা বিশেষ ভাবে প্রকল্পটিকে স্বমহিমায় দৃঢ় বানিয়েছে যা হলঃ

  • ৪) আবেদন যাচাই করার নিয়ম।
  • ৫) আবেদন মঞ্জুর করার পরিকাঠামো।
  • ৬) বার্ষিক পরিকাঠামো।

এই ধরনেই লেখা অবশ্যই আপনি আপনার বন্ধুদের মধ্যে শেয়ার করবেন ও আরো লেখা পড়তে আমাদের ব্লগ ফলো করবেন।

lakhi bhandar prakalpa – লক্ষীর ভান্ডার – কারা পাবেন কিভাবে পাবেন

Read More:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *